শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মান্নার রিমান্ড বৈধতার রায় আজ



1424857941_3

নিউজ ডেস্ক : রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আজ (বৃহস্পতিবার) সেই রুলের রায় ঘোষণা করবেন আদালত।

এ বিষয়ে মান্নার করা এক আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে বৃহস্পতিবার এ রায় দেয়া হবে। মামলাটি হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ১০৫ নম্বরে রয়েছে। কার্যতালিকায় লেখা আছে মাহমুদুর রহমান মান্না বনাম রাষ্ট্র।
এর আগে গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফিরোজ আহমেদ মান্নাকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের হেফাজতে চাইলে ঢাকা মহানগর হাকিম আতাউল হক তা মঞ্জুর করেন।

সে রিমান্ড চলাকালীন সময়ের তিনদিন পর মান্না অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হওয়ার পর বাকী থাকা সাতদিনের রিমান্ডের বিষয়ে আবারো আদালতে আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে আদালত তার রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। সে আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। সে আবেদনের শুনানি করে উচ্চ আদালত মান্নাকে রিমান্ডে নেয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে রুল জারি করে।

প্রসঙ্গত, সেনা বিদ্রোহে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে একটি মামলায় ২৫ ফেব্রুয়ারি মান্নাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। মান্নার রিমান্ড চলাকালেই তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকাকেও আসামি করা হয়।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মান্নার সঙ্গে নিউইয়র্কে অবস্থানরত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খোকার টেলিফোন আলাপের একটি অডিও ক্লিপ গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। এতে মান্নার বিরুদ্ধে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। সে ভিডিও ক্লিপে ফাঁস হওয়া টেলিফোন কথোপকথনে ঢাকার সাবেক মেয়র খোকার সঙ্গে আলাপচারিতায় সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলা নিয়ে মান্নাকে কথা বলতে শোনা যায়। এই কথোপকথন ফাঁসের পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ মান্নাকে গ্রেপ্তার করে।

টেলিকথোপকথনে সেনা বিদ্রোহে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে প্রথম দফায় রিমান্ডে পায় পুলিশ। আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মান্না তত্বাবধায়ক সরকারের সময় সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিতি পান মান্না। এরপর আওয়ামী লীগ থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়।