সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্র যন্ত্রই বেইমানি করেছেঃ মৌলভীবাজারে নির্বাচন পরবর্তী সভায় ডা: জাহিদ



স্টাফ রিপোর্টারঃ

গেল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কি কৌশল করা হয়েছে তা ভোটার দলের নেতাকর্মী সবারই অজানা নয়। ওই ভোটে দলের নেতা কর্মী কিংবা ভোটারা বেইমানী করেনি। বেইমানী করেছে রাষ্ট্র যন্ত্র। বাসন্তী,লংগর খানা,ব্যাংক ডাকাতি আর ভোট ডাকাতি এটাই আওয়ামীলীগের পুরানো ইতিহাস। অতীতের মত এবারো রাষ্ট্র যন্ত্র ব্যবহার মাধ্যমে ভোট ডাকাতি করে রাষ্ট্রকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদের বর্তমান এমপিদের সিজারিয়ান এমপি উল্লেখ করে তিনি বলেন আওয়ামীলীগ গণতন্ত্র আর ভোটসহ সবই কাটলেও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ কাটতে পারেনী। শুধু গণতন্ত্র নয় জনগণের আস্থার নামই হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

ডা: জাহিদ বলেন- সকল ভেদাভেদ ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে আজকে এই নির্বাচন পরবর্তী মতবিনিময় সভা। তিনি বলেন এই জালিম স্বৈরাচার সরকার দেশনেত্রী আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্ধী করেছে ছেড়ে দেওয়ার জন্য নয়। তাই তার মুক্তির জন্য আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। তিনি দেশ, জাতি ও দলের স্বার্থে ভেদাভেদ ভুলে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ কাজ করার আহবান জানান।

মঙ্গলবা জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি এম নাসের রহমানের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ভিপি মিজানুর রহমান মিজান এর পরিচালনায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নির্বাচন পরবর্তী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এসময় তৃণমূলের নেতৃবৃন্দরা তাদের বক্তব্যে বর্তমান সরকারের হামলা মামলাসহ নানা জুলুম নির্যাতনের কথা তুলে ধরে বলেন তৃণমূল পর্যায়ে দলকে আরো শক্তিশালী করতে জেলা ও উপজেলা কমিটি গুলো কাউন্সিলের মাধ্যমে করার।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) ডা: সাখাওয়াত হাসান জীবন, সাবেক এমপি বেগম খালেদা রব্বানী,সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন নিজান, সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক শাম্মী আক্তার, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হায়দার আলী লেলিন, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির নেতা ফয়জুল করিম ময়ূন, আলহাজ্ব এমএ মুকিত, মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুক, নাসির উদ্দিন মিটু, আশিক মোশারফ, হেলু মিয়া, মোশারফ হোসেন বাদশা, বকসী মিসবাহ উর রহমান, ফখরুল ইসলাম, এম ইদ্রিস আলী,মনোয়ার আহমদ রহমান।

উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ মধ্যে আব্দুল হাফিজ, আব্দুল হাকিম সুন্দর, নূরে আলম সিদ্দকী, মো: ইয়াকুব আলী, দুরুদ আহমদ, কামাল উদ্দিন আহমদ জুনেদ, এম এ মজিদ, শামীম চৌধুরী, আবু ইব্রাহীম জমসেদ, এ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম, আলম পারভেজ সুহেল।

জেলা বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্বল,সাধারণ সম্পাদক এম এ মুহিত, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জিএম মোক্তাদির রাজু, ছাত্রদলের সভাপতি রুবেল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আকিদুর রহমান সোহান, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম প্রমুখ।