বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

এতিমদের সম্মানে এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের ইফতার



নিজস্ব প্রতিবেদক::

সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে এতিমদের সম্মানে ইফতার,দোয়া মাহফিল ও মরহুমের কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা হয়।

সম্প্রতি মৌলভীবাজার শহরের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের হল রুমে মরহুমের কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা শেষে এতিমদের সম্মানে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক বকশী ইকবাল আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, মরহুমের জ্যৈষ্ঠ পুত্র সাবেক এমপি ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাসের রহমান।

বক্তব্য রাখেন মৌলানা মোফজ্জল হোসেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো: ইকবাল, স্মৃতি পরিষদের কোষাধ্যক্ষ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সৈয়দ তৌফিক আহমদ, সিনিয়র সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: বদরুল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক ইমাদ উদ দীন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আকিদুর রহমান সোহান।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির মো: হেলু মিয়া,আলহাজ মতিন বখশ, মাহমুদুর রহমান,ফখরুল ইসলাম, এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের অ্যাডভোকেট হাফিজ আব্দুল আলিম, সাংবাদিক হোসাইন আহমদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সচলের পথপ্রদর্শক। তিনি ছিলের প্রকৃত দেশ প্রেমিক ও উন্নয়নের রুপকার। এই বিশ্ব বরণ্য অর্থনীতিবীদ আমাদের এ অঞ্চলসহ দেশ ও জাতির গৌরব ও অংহকার।

তাঁর কর্মময় জীবনই ছিল দেশ জাতি ও মানুষের কল্যাণে নিবেদীত। তাঁর দেখিয়ে দেওয়া পথ অনুস্মরণ করে দেশের অর্থনীতির চাকা সচলের দিকে এগুচ্ছে। তাঁর কর্মদক্ষতায় বিশ্বের দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছিল। তিনি দেশের জন্য বয়ে এনেছিলেন সম্মান ও খ্যাতি। তাঁর শূন্যতা কখন পূরন হবার নয়।

তিনি উচুঁমাপের একজন মানুষ হয়েও তাঁর সাদামাটা জীবন সবাইকে আকৃষ্ট করত। দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে তাঁর দেশপ্রেম ও কর্মময় জীবন আজ বড্ড প্রয়োজনীয়। আলোচনা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনাসহ দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া পরিচালনা করেন জেলা পরিষদ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা করম আলী (লংলী)।

ইফতারে এতিমদের সাথে অংশনেন স্মৃতি পরিষদের সদস্যসহ সাংবাদিক, আইনজীবী, পেশাজীবী, রাজনীতিবীদ, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী,সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।