মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Sex Cams

প্রধানমন্ত্রীর ও প্রশ্ন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক মাসে ২০ কোটি টাকা খাবার বিল অস্বাভাবিক তদন্ত করার নির্দেশ।



ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি

জেসমিন মনসুর ;বাংলাদেশের মানণীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রশ্ন তুলে বলেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এক মাসের থাকা-খাওয়ার খরচ ২০ কোটি টাকা কীভাবে হয়েছে, এই ব্যয় ‘অস্বাভাবিক’ মন্তব্য করে এখানে অনিয়ম আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখার ঘোষণা দিয়েছেন।

২৯ শে জুন সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনায় বাংলাদেশের মানণীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন। তার আগে সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা জিএম কাদের আলোচনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওই বিল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, “করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবায় সরাসরি নিয়োজিত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্পূর্ণ সরকারি খরচে হোটেলে থাকা, খাওয়া, যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধীদলীয় উপনেতা ঠিকই বলেছেন– এক মাসে ২০ কোটি টাকা খাবার বিল, অস্বাভাবিকই মনে হচ্ছে। এটি আমরা পরীক্ষা করে দেখছি। এত অস্বাভাবিক কেন হবে? যদি কোনো অনিয়ম হয় আমরা ব্যবস্থা নেব।
করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে জনবল বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা অত্যন্ত অল্প সময়ে দুই হাজার ডাক্তার, ছয় হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছি। আরও দুই হাজার ডাক্তারের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং নার্সও আমরা আরও চার হাজার নেব।
“সেই নির্দেশটাও আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ইতোমধ্যে দিয়েছি, যাদের শিগগিরই নিয়োগ দেওয়া হবে। সেই সাথে হেলথ টেকনোলজিস্ট, কার্ডিওগ্রাফার এবং ল্যাব অ্যাটেনডেন্টের তিন হাজার নতুন পদও সৃষ্টি করা হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি আর ও বলেন, যন্ত্রপাতি, টেস্ট কিট, সরঞ্জামাদি কেনাসহ চিকিৎসা সুবিধা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে আমরা দ্রুততম সময়ে দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছি। আরও একটি প্রকল্প চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে করোনা মোকাবেলায় আমাদের সামর্থ্য আরও বাড়বে বলে বিশ্বাস করি। এর আগে আলোচনায় শেখ হাসিনা কোভিড-১৯ মোকাবেলা করে অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য গতানুগতিক বাজেট থেকে সরে এসে এবার বাজেটে সরকারের অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রে কাঠামোগত পরিবর্তন নিয়ে আসার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য খাতকে এবার সর্বাপেক্ষা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে এ খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ, প্রণোদনা ও ক্ষতিপূরণ ইত্যাদির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত