বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Sex Cams

বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাতে প্রস্তাব উত্থাপন হয়েছে মার্কিন কংগ্রেসে।



স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানাতে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে ‘কোমেমর‌্যাটিং দ্য ফিফটিয়েথ অ্যানিভার্সারি অব বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্স’ শীর্ষক একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে।

ডেমোক্র্যাট ও বাংলাদেশি অধ্যূষিত নিউইয়র্কের ফোরটিনথ কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসউইমেন আলেক্সান্দ্রা ওকাসিও কর্তেজ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন। প্রস্তাবটি পাসের জন্য ইতোমধ্যে প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাতে এই প্রস্তাব উত্থাপনে উদারনৈতিক ডেমোক্র্যাট কর্তেজকে সহায়তা করেন কংগ্রেসের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান গ্রেগরি মিকস, মিশিগানের কংগ্রেস উইমেন রাশিদা তালিব ও ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান জিমি গোমেজ।

প্রস্তাবের শুরুতে ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও সামরিক সরকারের তা স্বীকার না করার প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণার কথা তুলে ধরা হয়।

কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের ওই প্রস্তাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকারকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতার বিশেষ প্রশংসা এবং গণতন্ত্রের জন্য যারা জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, তাদের স্মরণ করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছাড়াও গণহত্যার ঝুঁকির মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের অবদানেরও প্রশংসা করা হয়েছে প্রতিনিধি পরিষদের ওই প্রস্তাবে।

এছাড়া প্রস্তাবে ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৎকালীন মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির বক্তৃতাকে উদ্ধৃত করা হয়েছে। ওইদিন সিনেটর কেনেডি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের এই সংগ্রাম, আমাদের অতীতের সর্বশ্রেষ্ঠ স্মৃতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়।’

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের মানুষকে অভিনন্দন জানিয়ে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে এর আগে জর্জিয়া ও নিউজার্সির স্টেট পার্লামেন্টেও প্রস্তাব পাস হয়।

মার্কিন কংগ্রেস ও দেশটির অঙ্গরাজ্যের আইনসভাগুলোতে এসব প্রস্তাবের বিষয়ে সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়্যার ভেটার্নস ’৭১।

নিউজ সম্পর্কে আপনার বস্তুনিস্ঠ মতামত প্রদান করুন

টি মতামত