শনিবার, ১ অক্টোবর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বৃটেনে জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি গণতন্ত্রের নবযাত্রা শীরনামে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।



….বদরুল মনসুর.
বাংলাদেশের মানণীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গত ১৩ জুন অনলাইন চ্যানেল ২৬ শে টিভিতে শেখ হাসিনার কারামুক্তি গণতন্ত্রের নবযাত্রা শীরনামে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। ২৬ শে টিভির চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ব আব্দুল আহাদ চৌধুরীর উপস্থাপনায় উক্ত অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান মাহমুদ শরীফ. যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সৈয়দ মোজাম্মেল আলী. যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা এম এ রহিম সি আই পি. যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক যুবনেতা আনোয়ার উজ্জামান চৌধুরী. যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের মানবাধিকার সম্পাদক মানবিকনেতা এম সারব আলী. যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক সাবেক যুবনেতা তারিফ আহমদ. ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও ওয়েলস আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মকিস মনসুর.এবং যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমদ খান সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে অসত্য, মিথ্যা, বানোয়াট বিভিন্ন মামলা থেকে তিনি মুক্তি পেয়েছিলেন। এই মুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রা সূচনা হয়েছিল। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে স্পষ্টই প্রমাণিত হয়েছিল যে, এক-এগারোর সরকার দীর্ঘমেয়াদী থাকছে না। তারা একটি নির্বাচন দিয়ে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে শেষ পর্যন্ত সম্মত হয়। সে কারণেই শেখ হাসিনাকে তারা মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। এই মুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকারের বিদায়ের পথযাত্রা শুরু হয়। শেখ হাসিনার কারামুক্তি আপনাআপনি হয়নি এবং সেনাসমর্থিত ফখরুদ্দিন সরকার বিনা কারণে আওয়ামী লীগ সভাপতিকে কারামুক্ত করেননি। এই কারামুক্তির পেছনে দীর্ঘ রাজনৈতিক, চিকিৎসাসংক্রান্ত এবং আইনি লড়াই করতে হয়েছে আওয়ামী লীগকে। আর এই সব লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং বিচক্ষণতার কারণেই শেষ পর্যন্ত তিনি মুক্তি পেয়েছেন।
বক্তারা আর ও বলেন বিশ্বে কোনো দেশে একসঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক মসজিদ নির্মাণ এটাই প্রথম।
সারা দেশে মডেল মসজিদ মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়, ইসলামী গবেষণা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চারও স্থান। সে লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা শহরে একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করছে সরকার।
নামাজের জন্য নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা জায়গা রয়েছে এসব মডেল মসজিদে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় নারীদের মসজিদে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা এটাই প্রথম।
বক্তারা বলেন আগামী অর্থবছরের মধ্যে আরো ১০০ মডেল মসজিদ চালু করা যাবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে ৫৬০টি মডেল মসজিদের সবগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে তারা আশা করছেন। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি উন্নত মসজিদ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ৮ হাজার ৭২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। বিশ্বে এ ধরনের প্রকল্প নজিরবিহীন। পদ্মা বহুমুখী সেতুর পর নিজস্ব অর্থায়নে এটা সরকারের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রকল্প। এজন্য মানণীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকারকে অভিনন্দন জানান বক্তারা।।