বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কিংবদন্তি গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে ইউকে বিডি টিভির শোক প্রকাশ।




নাজমুল সুমন,
কিংবদন্তি গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে
ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মকিস মনসুর এবং ইউকে বিডি টিভির ম্যানেজিং ডিরেক্টর খায়রুল আলম লিংকন. ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নুরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর শাহ শাফি কাদির ও পোগ্রাম ডিরেক্টর হেলেন ইসলাম সহ ইউকে বিডি টিভির পরিবারের পক্ষ থেকে এক শোকবার্তায় একুশে পদকপ্রাপ্ত গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ সহ তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।
ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও ডেইলি সিলেট এন্ড দৈনিক মৌলভীবাজার মৌমাছি কন্ঠের সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি মোহাম্মদ মকিস মনসুর শোক বার্তায় বলেন, বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ছিলেন ফকির আলমগীর। দেশের সব ঐতিহাসিক আন্দোলন সংগ্রামে তিনি তাঁর গান দিয়ে সাধারণ মানুষকে উজ্জীবিত করেছেন। ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে তিন ষাটের দশকে বিভিন্ন সংগ্রাম এবং গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক শাসনবিরোধী গণআন্দোলনে তাঁর গান দিয়ে শামিল হয়েছিলেন। কিংবদন্তি এই শিল্পীর মৃত্যু বাংলাদেশের গণসংগীতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি, যা কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। সংগীত জগতে তাঁর অবদান বাংলাদেশের মানুষ চিরদিন মনে রাখবে বলে অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।
উল্লেখ্য, ষাটের দশক থেকে গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত ফকির আলমগীর ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে শামিল হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে।
স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন ৭১ বছর বয়সী এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেয়।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার কণ্ঠের বেশ কয়েকটি গান দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।